বাংলাদেশ

কিরে বটা! মন্ত্রী মশাই হঠাৎ আমাদের ডেকে পাঠানোর কারনটা কি? কিছু জানতে পেরেছিশ ঘটা? হ্যা! গোপন সূত্রে খবর পাইছি! মন্ত্রী মশাই নাকি প্রেমে পড়েছেন। কি!   প্রেমে পড়েছেন! কার প্রেমে পড়লেন আমাদের মন্ত্রী মশাই? আরে তুই কি কোন খবরই রাখিস না! তোকে তো দেখছি মন্ত্রী মশাইকে বলে শয়তানী লাইন থেকে বার করে দিতে হবে! কি বলছিস তুই! আমি বুঝি শয়তান নই! এই কৃষ্ণনগরে যদি শয়তানদের তালিকা করা হয়! তাহলে মন্ত্রী মশাই এক নাম্বারে। আর আমি আর তুই যৌথভাবে দুই নাম্বারে আছি। তাহলে তোর কাছে মন্ত্রী মশাইয়ের প্রেমের খবরটা নাই কেন? আরে আমি এই কয়দিন পেয়াজ চুরিতে ব্যাস্ত ছিলাম! পেয়াজের এখন যা দাম তাতে পেয়াজ চুরি করা! আর সোনা চুরি করা একই কথা! পেয়াজ চুরি করে লাভের গুড় তুই একাই চাটলি।আমাকে তো জানালিনা। এখন এসব কথা বাদ দে। মন্ত্রী মশাইয়ের প্রেমের খবরটা বল। মন্ত্রী মশাই পাশের গ্রামের সিমরানের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। সিমরানটা আবার কে! ঐ পাশের গ্রামের মারাত্মক সুন্দরীটা? হ্যারে বটা! ওটাই।মন্ত্রী মশাই কি সিমরানকে প্রপোজ করেছেন? এখনো করেন নি! কিভাবে সিমরানকে পটানো যায়।সেটা নিয়ে আলোচনা করতেই তো আমাদের ডেকে পাঠালেন।কিন্তু ঘটা সিমরানের ব্যাপারেতো। আমার কাছে মারাত্মক একটা খরব আছে। কি খবররে বটা? সিমরানের সাথে তো গোপালের ইটিশ পিটিশ চলছে।কি! গোপাল!  মানে আমাদের গোপাল ভাড়ের সাথে।সিমরানের পিরিতি চলছে?হ্যারে ঘটা! তবে তুই যাই বলিসনা কেন।সিমরানের উপর যখন মন্ত্রী মশাইয়ের একবার নজর পড়ছে! আমি নিশ্চিত!  মন্ত্রী মশাই সিমরানকে গোপালের কাছ থেকে ভাগিয়ে আনবেনই।তুই এতো নিশ্চিত কিভাবে হচ্ছিশ? কারন মন্ত্রী মশাই কৃষ্ণনগরের সবচেয় বড় জোচ্ছর তাই। জোচ্ছরির সাথে প্রেম পিরিতির কি সম্পর্ক? আরে তুই এটাও জানিস না! মেয়েদের মন সব সময় জোচ্ছররাই পেয়ে থাকে।হা হা হা!
কিরে বটা ঘটা!  কি নিয়ে কথা হচ্ছে? এই তো মন্ত্রী মশাই! আপনার প্রশংসা করছিলাম।কিন্তু আপনার আসতে এত্তো দেরী হলো যে?

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started